গঙ্গা চুক্তি নবায়ন ইস্যুতে কলকাতায় বসছে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশন

মফস্বল সংবাদ ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ০৫:৫৪ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নকে সামনে রেখে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের ৯০তম বৈঠক শুরু হচ্ছে কলকাতায়। বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী এই বৈঠক চলবে আগামী শনিবার পর্যন্ত।

বৈঠকে অংশ নিতে বাংলাদেশের ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল বুধবার কলকাতায় পৌঁছেছে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মোহাম্মদ আনোয়ার কাদীর।

দলের অন্য সদস্যরা হলেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের হাইড্রোলজি বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন, যৌথ নদী কমিশনের পরিচালক মো. আবু সৈয়দ, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. শামসুজ্জামান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ বাকি বিল্লাহ এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. রুমানুজ্জামান।

এ ছাড়া দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনের কাউন্সেলর (রাজনৈতিক) মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন এবং কলকাতার বাংলাদেশ উপদূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক) মোহাম্মদ ওমর ফারুক আকন্দও বৈঠকে অংশ নেবেন।

ভারতের পক্ষ থেকে দেশটির কেন্দ্রীয় পানিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্ম সচিব ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সেচ দপ্তরের এক প্রধান প্রকৌশলী বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন।

এবারের বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির নবায়ন। ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত ৩০ বছর মেয়াদি এ চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর। ফলে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে এটিই দুই দেশের যৌথ নদী কমিশনের শেষ বৈঠক।

বৈঠকের শুরুতেই বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল মুর্শিদাবাদে যাবে। সেখানে ফারাক্কা ব্যারাজ এলাকায় গঙ্গা নদীর পানিপ্রবাহ পরিমাপ করবেন তারা। পরে কলকাতায় ফিরে মূল বৈঠকে অংশ নেবেন প্রতিনিধিরা।

বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী, শুষ্ক মৌসুমে গঙ্গার পানিপ্রবাহ ৭৫ হাজার কিউসেকের বেশি হলে ভারত পাবে ৪০ হাজার কিউসেক এবং অবশিষ্ট পানি পাবে বাংলাদেশ। প্রবাহ ৭০ থেকে ৭৫ হাজার কিউসেকের মধ্যে থাকলে বাংলাদেশ পাবে ৪০ হাজার কিউসেক। আর প্রবাহ ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম হলে দুই দেশ সমানভাবে পানি ভাগ করে নেবে।

প্রধান সম্পাদক: মো. নূরুল হক

যোগাযোগের ঠিকানা:

কুড়িগ্রাম অফিস: কলেজ রোড, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম।

ঢাকা অফিস: আজরত পাড়া, মহাখালী, ঢাকা ১২১২।

ইমেইল: mofossolsangbad@gmail.com

মোবাইল: 01626605495